1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  4. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  5. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  6. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  7. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  8. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  9. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  10. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
শাড়ি ছাড়াও জমছে জামদানির নতুন জাদু - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
তারেক রহমানের নলিয়ান সফরের পর নৌপথে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা জামালপুরে ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্মের পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর জবাবের অঙ্গীকার, চুক্তিতে নতুন শর্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার মামলা বিএনপি নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাল এনসিপি রাষ্ট্রপতি অবসর সুবিধা কী পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন

শাড়ি ছাড়াও জমছে জামদানির নতুন জাদু

  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ২৩ মে, ২০২৫
  • ১৭৬ বার পঠিত
জামদানির নতুন জাদু

জামদানি শুধু পরার নয়, ঘরভরানো গল্পও এখন এ কাপড়ে—
অনলাইন ডেস্ক

এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পের প্রতিটি সুতোয় এখন ফুটে উঠছে নতুন চিন্তা, নতুন রূপ! নারায়ণগঞ্জের ডেমরার মেয়ে ফারহানা মুনমুন শুধু শাড়ির গণ্ডিতেই থেমে থাকেননি—জামদানিকে নিয়ে গড়েছেন নতুন স্বপ্নের ভুবন। তাঁর ব্র্যান্ড ‘বেনে বৌ’ এখন জামদানি শাড়ির বাইরেও তৈরি করছে ব্যাগ, জুতা, গয়না থেকে শুরু করে ল্যাম্প শেড, স্টোল, কুর্তা, ফতুয়া এমনকি ফ্রেম করা নকশা!

২০১৮ সালে ছোট্ট পরিসরে শুরু হলেও ২০১৯ সালে ফেসবুকে পেজ খোলার পর ‘বেনে বৌ’ ধীরে ধীরে জায়গা করে নেয় দেশ–বিদেশের জামদানি অনুরাগীদের মনে। করোনাকালে কাজহীন হতাশ তাঁতিদের পাশে দাঁড়াতেই ফারহানা নিলেন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। স্বল্প লাভে শাড়ি বিক্রি শুরু করে তিনি বুঝলেন, এই শিল্প বাঁচানোর উপায় নতুনভাবে ভাবা।

জামদানি শাড়ি পরার সুযোগ হয়তো সবার হয় না—দাম, রক্ষণাবেক্ষণ কিংবা অভ্যাসের কারণে। কিন্তু ঐতিহ্যকে গায়ে না জড়িয়েও ধারণ করা যায়—এই ভাবনা থেকেই শুরু ফারহানার আপসাইক্লিং ও রিসাইক্লিং যাত্রা। শাড়ি কেটে বানাচ্ছেন জ্যাকেট, স্টোল কিংবা ছোট পাউচ। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য তো জামদানি ব্যাগ বা শোপিস একেবারেই গর্বের ব্যাপার!

শাড়ি কাটতে গিয়ে কাপড় নষ্ট হতো, তাই শুরু করলেন গজ কাপড় তৈরির কাজ। এখন সেই কাপড় দিয়েই তৈরি হচ্ছে ব্যবহারযোগ্য নানা পণ্য। সবচেয়ে চমকপ্রদ অভিজ্ঞতা? জামদানির তৈরি জুতা! ভিজলেও নষ্ট হয় না—শুকিয়ে নিলেই আবার নতুনের মতো। এমন উদ্ভাবন সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।

এত কিছু করার পরও ফারহানার মন পড়ে আছে বাজার তৈরির দিকেই। বিদেশিরা জামদানি পছন্দ করলেও কোথায় কোন পণ্যের চাহিদা—সেই তথ্য নেই অনেক উদ্যোক্তার। সরকারের সহায়তা ছাড়া নতুন বাজার ধরা কঠিন বলেই মনে করেন তিনি।

তাঁতিরা যে শিল্পটিকে বাঁচিয়ে রেখেছে শতাব্দীর পর শতাব্দী, সেই শিল্প এখন ফারহানার হাতে হয়ে উঠেছে আধুনিক ও বহুমাত্রিক। জামদানি আর শুধু অতীতের গল্প নয়—এখন এটি বর্তমানের ফ্যাশন, ভবিষ্যতের সম্ভাবনা।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..